Nostalgia…কত কোটিবার শুনেছি বড়দের বলতে।
অর্থটা জানতাম, কিন্তু মনে হয়না আগে আমি এতটা এই শব্দের অৰ্থ বুঝেছিলাম। Nostalgia শব্দটির সত্যিকার এর অর্থ বুঝতেহলে - TIME and SPACE খুবই প্রয়োজন। TIME - কিছু উপলব্ধি করতে কিছুটা সময় পার করতে হয়…..আর কিছুটা বয়স বাড়লে জানা যায়। And SPACE কারণ দূরে গেলে অনেক মানুষ এর সাথে সম্পর্কের গভীরতা বারে এবং তাদের কদর।
আজকাল আমি খুব নস্টালজিক। জানি না কেন…. হয়তো আমাদের এই quarantine life বা সত্যি হয়তো আজ আমি বড় হয়ে গিয়েছি। আমি কোনো writer না। যদিও মাঝে মাঝে trendy হয়ে Facebook-এ দু-একটা ভাবের post দিয়েই ফেলি।
ছোট ছোট অনেক স্মৃতি বেজে উঠে আমার ঘরের নিত্য দিন এর কাজ এর ফাঁকে। আজকে মনে হলো, লিখে রাখি কোথাও। কে জানে কাল যদি আমার মনে না থাকে? কাল যদি আর সুযোগ না পাই share করার?
আমি তেমন বাংলাদেশী রান্নাবান্না করতে পারি না। আমি এতটাই nostalgic আজকাল, যে খুব আগ্রহ নিয়ে আমি দেশি রান্না শেখার চেষ্টা করছি। দেশে আবার কবে যাবো জানি না। এতটা সময় চলে গিয়েছে, আজ অনেকের রান্না খাবার সুযোগও নেই।
Milk boil করতে দিয়েছিলাম ছানা বানাবো বলে.….আমি attentively দাঁড়িয়ে ছিলাম চুলোর পাশেই। Wait করছিলাম....এই বুঝি বলোক উঠবে। একটা পাতলা দুধের স্বর পড়তে লাগলো। আর আমি তাকিয়ে তাকিয়ে চলে গেলাম সেই পুরানা পল্টন - আমার ছোট-নানুর বাসায়। তাদের সেই বাসায় আমার অনেক স্মৃতি। আমার স্মৃতিতে সেই প্রথমবার আমার দুধের স্বর খাবার experience তাদের বাসায়। আমার বয়স তখন maybe 4/5 years old.
দেশে যখন বেড়াতে যেতাম, আমার কাছে ছোট-নানুর পুরানা পল্টন এর বাসাটা ছিল খুব আকর্ষণীয়। একতালা বাড়ি। সামনে অনেক খোলা জায়গা…..আর সাথে ছোটোখাটো একটা প্রাইভেট মাঠ। অনেক গাছপালা আর এক কোনায় মুরগির একটা খোপ। মুরগি as pets was a bit odd for a বিদেশী বাচ্চা like me but still exciting as the Old MacDonald’s farm. আরো একটা বিশেষ কারণে আকর্ষণীয় ছিল, অনেকটা সময় unsupervised খেলাধুলার scope ছিল। ছোট-নানু তখন একজন Nutritionist. রোজ তার অফিস বা field trip-এ যেতে হতো। মামা হয়তো কোচিং করতে যেত। আমরা ছোটরা বাসায় থাকতাম under the supervision of a reliable বুয়া and ofcourse প্রতিবেশী নানু। যদিও ছোট-নানু অফিস থেকে ঘনঘন ফোন করতেন to check on us. বিনি খালা আর আমি সমবয়সী, তারপরও তার "খালা" ও "মুররুব্বী" একটা ভাঁড় ছিল।
নানু তার field trip বা হয়তো কোনো farm থেকে খাঁটি দুধ gallon করে নিয়ে আসতো আমাদের জন্য। সেটা আবার চুলায় জাল দিতে হতো। চুলায় জাল দিয়ে মিল্ক prepare করা wasn’t an usual sight for me as a child.
আমি ছোটবেলায় একদম milk খেতে like করতাম না। তবুও খেতেতো হতোই। মদিনাতে আমরা milk খেতাম from a small juice like carton – straw দিয়ে। মিল্কটা mostly ঠান্ডা বা রুম টেম্পারেচার এ থাকতো।
নানুদের বাসায় মিল্কটা properly boil হয়ে গেলে, বড়দের মতন করে একটা floral designed tea-cup-এ খেতে দিতো। টি-কাপটা খুবই লোভনীয় ছিল কারণ মেহমান আসলে ওটাতে চা খেতো। ছোট্ট আমি খুবই special feel করতাম, আবার বিরক্তও হতাম - milk আবার গরম খাই নাকি!
আমার সঙ্গে বিনি খালা আর চন্দন মামার ও খেতে হতো। ছোটবেলায় মনে হতো চন্দন মামা অনেক বড় - কত কিছু জানে ও পারে (যদিও…now I think of it he was just a teenager). তাকেও যদি খেতে হয়…..যতই নাতনি আর মেহমান হইনা কেন….আমারতো আর রেহাই নাই…..আমিতো কত ছোট। আমার খালা-মামাকে দেখতাম খুব মজা করে দুধের স্বর খেতে with their milk. এমন lumpy content খেতে মজা হতে পারে কে জানতো!
আমার খালার এতো প্রিয় ছিল দুধের স্বর যতবার স্বর পড়তো, সে খেতো। আমার খালাকে এতবার দুধের স্বর খেতে দেখে মনে হল কি জানি অমৃত miss হয়ে যাচ্ছে.....তাই আমিও try করলাম direct warm পাতিল থেকে। খেয়েতো মজাই লাগলো….almost like a rich clotted cream but in a patil. একবার খেয়ে আরো খেতে মন চাই। আমাকে যদি মিল্ক না দিয়ে রোজ এই স্বরটা দিতো কত ভালো হতো!
নানুদের বাসার চুলো কিছুটা ground level ছিল, তাই পাতিল reach করা was easy for a tiny kid like me. খেলার ফাঁকেফাঁকে, দৌড় দিয়ে রান্নাঘরে যেতাম স্বর খেতে। আমি আঙ্গুল ডুবিয়ে উঠাতাম – which was very convenient and satisfying. খেয়েদেয়ে বেশ ফুর্তিতেই দিনটা কেটেগেলো। Until that night, “all hell broke loose” might not be the most appropriate here, but definitely “all stomach went loose.”
নানু ভেবেই পাচ্ছিলোনা কি খেয়ে হটাৎ এতো পেট খারাপ হলো আমার। আমি তো ভয়ে বলিনা যে সারাদিন এত্তোগুলো ফুল ক্রিম মিল্ক এর স্বর খেয়েছি। জানতে পারলে লজ্জাতো পাবোই, তার সাথে তুফান এর বেগে নালিশ চলে যেত আব্বু-আম্মুর কাছে। আর add হতো আমাদের মাইরের লিস্টে যখন ফিরে যেতাম মদিনাতে।
Embarrasment এর কথা মনে পড়তেই আমি যেন টাইম-মেশিনে করে ফিরে এলাম আমার আজকের চুলোর পাশে। এবারও পাতিল এ স্বর পড়লো....সেই ছোটবেলার মতন আঙ্গুল ডুবিয়ে স্বর উঠিয়ে খেলাম.....এই আশাই যদি আবার ওই সাধটা ফিরে পাই।

No comments:
Post a Comment